মুক্ত স্বদেশ ফের দুদিনের রিমান্ডে হেফাজত নেতা ইহতেশামুল | মুক্ত স্বদেশ

ফের দুদিনের রিমান্ডে হেফাজত নেতা ইহতেশামুল


মুক্ত স্বদেশ এপ্রিল ২৮, ২০২১, ৫:১৮ অপরাহ্ন
ফের দুদিনের রিমান্ডে হেফাজত নেতা ইহতেশামুল

বায়তুল মোকাররম মসজিদে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনার মামলায় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির ঢাকা মহানগরের সহ-দফতর সম্পাদক ও ইসলামী ছাত্রসমাজের সেক্রেটারি হযরত মাওলানা ইহতেশামুল হক সাখীর ফের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ শুনানি শেষে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

এদিন পল্টন থানার হেফাজতের তান্ডবের ঘটনায় করা মামলায় চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় এ মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে এ মামলায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর চলতি বছরের ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররম মসজিদে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় পল্টন থানার করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোপূর্বক সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন পুলিশ। আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর শুনানি শেষে তার দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ২৩ এপ্রিল তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় ২০১৩ সালের পল্টন থানার মামলায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসি চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তার আগের দিন ২২ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর বংশাল এলাকা থেকে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগরের সহ-দফতর সম্পাদক ইহতেশামুল হক সাখীকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকা অবরোধ করে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। এ অবরোধ কর্মসূচির নামে লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও আরামবাগসহ আশপাশের এলাকায় যানবাহন ও সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতের কর্মীরা। এ ঘটনায় পল্টন থানায় মামলা করা হয়।

সম্প্রতি হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ বায়তুল মোকাররম মসজিদ, পল্টন, যাত্রাবাড়ী সহ বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব এবং ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এরপর এ ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হয়। মামলার তদন্তে পুলিশসহ সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তে নামে।

তদন্তের অংশ হিসেবে সেদিনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্য, একই সঙ্গে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। পরে নিশ্চিত হওয়ার পরই সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেফতার করছে পুলিশ।