মুক্ত স্বদেশ নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশত | মুক্ত স্বদেশ

নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশত


মুক্ত স্বদেশ ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২১, ৯:৫১ অপরাহ্ন
নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশিরহাট বাজারে আ. লীগের দুইপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে আ.লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এক সংবাদকর্মীসহ উভয়পক্ষের অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ, ফাঁকা গুলি ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন- চরফকিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান, রুহুল আমিন, মেহরাব, বাপ্পী, মাসুদ, কাঞ্চন, রায়হান, দেলোয়া, কামাল পাটোয়ারী, শাওন, শামীম, দেলোয়ার হোসেন, মাস্টার, নসু, কামরুল হাসান, নুরুল অমিত, বুরহান উদ্দিন মুজাক্কিরসহ অন্তত ৫০ জন। এদের মধ্যে সংবাদকর্মী বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির, নুরুল অমিত, ফরহাদ ও কাঞ্চন গুলিবিদ্ধ হয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল বিকেল সাড়ে ৪টায় তার সমর্থকদের চাপরাশিরহাট দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলে। কিন্তু তার আগে চরফকিরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন লিটনের (মির্জা কাদের সমর্থক) নেতৃত্বে তার সমর্থকরা ওই কার্যালয়ে এসে উপস্থিত হয়।

নির্ধারিত সময়ে বাদলের সমর্থকরা দলীয় কার্যালয়ে আসলে লিটনের সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। এর একপর্যায়ে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত অর্ধশতা নেতাকর্মী আহত হন। সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বার্তা বাজার এর প্রতিনিধি বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির।

অন্যদিকে, সংঘর্ষের পর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে নিজের দলের নেতাকর্মীদের ওপর চাপরাশিরহাট বাজারে হামলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। এতে অন্তত তার ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। কোনো নেতাকর্মী মারা গেলে তার দায়-দায়িত্ব সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন, সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী, নিজাম হাজারী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে নিতে হবে বলে জানান মির্জা। পুলিশের সহযোগিতায় তার নেতাকর্মীদের ওপর গুলি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন মির্জা।

কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রবিউল হক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ থেকে ১২ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করা হয়েছে।