রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন

‘ওবায়দুল কাদের সাহেব রাগ করলে আমার কিছু আসে যায় না’

মফস্বল ডেস্ক :
  • প্রকাশকালঃ শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১

জেলা প্রশাসককে অভিযুক্ত করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, একজন এমপির নামযুক্ত মাস্ক কীভাবে আপনি পরেন। আপনি তো নিরপেক্ষ নন। ওবায়দুল কাদের সাহেব আমার ওপর রাগ করবেন, তাতে আমার কিছু আসে যায় না। আমি আর কত সময় ধৈর্য ধরব।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, কোম্পানীগঞ্জে আজকে অস্ত্রের ঝনঝনানি চলছে। কবিরহাট ও ফেনীর এক বাড়িতে নির্বাচন বানচাল করার যড়যন্ত্র চলছে। দুই দিন আগে চট্টগ্রাম থেকে অবৈধ অস্ত্র এনেছে- আমি প্রশাসনকে জানিয়েছি। নোয়াখালীর প্রশাসন মাসোহারা খায়।

তিনি বলেন, আমি নোয়াখালীর এসপিকে সব বলেছি কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। অস্ত্রধারীরা এখনো মহড়া দিচ্ছে। বিগত সময় যেসব অস্ত্র জামায়াত-বিএনপি ব্যবহার করেছে তা এখনও উদ্ধার করা হয়নি। আমি অস্ত্রধারীদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার অনুরোধ করছি। আমাদের দলের যারা অস্ত্র এনেছে তাদের কথা আমি ডিসি-এসপিকে বলেছি।

যদি কোম্পানীগঞ্জের নির্বাচন নিয়ে কোনো যড়যন্ত্র হয়, রং লাগানো হয়, কোনো মায়ের বুক খালি হয় এর সব দায়-দায়িত্ব ডিসি এবং এসপিকে নিতে হবে। তা না হলে ডিসি হবেন এক নম্বর আসামি আর এসপি হবেন দুই নম্বর আসামি। তাছাড়া ফেনী নোয়াখালীর ১১ জনের নামের তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি- আমার কিছু হলে ওরা দায়ী থাকবে।

নোয়াখালীর নেতাদের কারা শেল্টার দেয়? অথচ ঢাকা থেকে নো বললে তারা আর নেই। কিন্তু একজন নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রকাশ্যে হত্যা করে পরে পেট্রল দিয়ে তার গাড়িসহ তাকে পুড়িয়ে ফেলেছে কিন্তু তাদের পরিবার আজও বিচার পায়নি। আজ ওই পরিবার যে ঘর থেকে বের হয়ে বিচার চাইবে তারও সুযোগ নেই। তাহলে কি ওই পরিবার বিচার পাবে না?

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত, সহ-সভাপতি ইসকান্দার বাবুল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল প্রমুখ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
কারিগরি সহযোগিতায়: শরিফুল ইসলাম
01779911004