শর্তসাপেক্ষে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে চামড়া রপ্তানির অনুমোদন

প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২১

দেশে প্রথমবারের মতো পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে চামড়া রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। তবে, এ ক্ষেত্রে ছয়টি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ২০ লাখ বর্গফুট করে মোট ১ কোটি বর্গফুট ওয়েটব্লু চামড়া রপ্তানি করতে পারবে।

শনিবার (১০ জুলাই)বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নাজনীন পারভীন স্বাক্ষরিত আদেশে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে চামড়া রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে গত ১৭ ও ৩০ জুন প্রতিষ্ঠানগুলোকে পৃথক আদেশে অনুমতি দেওয়া হয়। আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সংবাদ মাধ্যমকে এ সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি পাঠানোর মাধ্যমে উল্লিখিত তথ্য জানানো হয়।

চামড়া রপ্তানির অনুমতি পাওয়া পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে—মেসার্স কাদের লেদার কমপ্লেক্স, মেসার্স আমিন ট্যানারি লিমিটেড, মেসার্স কালাম প্রাদার্স ট্যানারি লিমিটেড, মেসার্স লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ লিমিটেড এবং মেসার্স একেএস ইনভেস্টমেন্ট।

আদেশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ লাখ বর্গফুট ওয়েট-ব্লু চামড়া চীন, হংকং, কোরিয়া, রাশিয়া, ইউক্রেন, জাপান, ভিয়েতনাম, ইতালি, স্পেন, জার্মানিতে ছয়টি শর্তে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো।

চামড়া রপ্তানির শর্তগুলো হচ্ছে—
১. রপ্তানি নীতি ২০১৮-২০২১ অনুসরণ করতে হবে।
২. এই অনুমতি শুধু রপ্তানির অনুমতিপ্রাপ্ত ওয়েট-ব্লু চামড়ার নির্ধারিত পরিমাণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। পরবর্তী রপ্তানির জন্য পুনরায় আবেদন করতে হবে।
৩. রপ্তানির অনুমতির মেয়াদ ৩০/০৬/২০২২ পর্যন্ত বহাল থাকবে।
৪. জাহাজীকরণ শেষে রপ্তানি সংশ্লিষ্ট সব কাগজ-পত্রাদি দাখিল করতে হবে।
৫. যে দেশে রপ্তানির জন্য অনুমোদন প্রদান করা হবে সেব দেশেই রপ্তানি করতে হবে।
৬. সরকার যেকোনো সময় ওয়েট-ব্লু চামড়া রপ্তানি নিষিদ্ধ করতে পারবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে,বাংলাদেশ থেকে এই প্রথমবারের মতো ওয়েটব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হলো। এতে একদিকে যেমন রপ্তানি পণ্যে নতুন পণ্য যোগ হলো, তেমনই রপ্তানি আয়ও বাড়বে। এর ফলে চামড়ার ন্যায্য দামও নিশ্চিত হবে।