গোপালগঞ্জে ইউপি নির্বাচন

ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৪, ২০২১

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে শুরু হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দ্বিতীয় পর্যায়ে আগামী ১১ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) কাশিয়ানী উপজেলার মোট ১৪টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গোপালগঞ্জ-১ আসন (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী আংশিক)- এর সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খানের নির্বাচনী এলাকার ৭টি ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন (নৌকা প্রতীক) বরাদ্দ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন বোর্ড। অপরদিকে, গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নির্বাচনী এলাকার (গোপালগঞ্জ-কাশিয়ানী আংশিক) আওতাভুক্ত বাকি ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি নির্বাচন উন্মুক্ত রেখেছেন মনোনয়ন বোর্ড।

কাশিয়ানী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ৬ নং রাতইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ. লীগের দলীয় মনোনয়ন (নৌকা প্রতীক) পেয়েছেন সদ্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিএম হারুন অর রশিদ পিনু।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ ন্যাজরীন মিশনের সাবেক ডিএস ও রাতইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, আওয়ামী পরিবারের সন্তান ডেভিড সুরঞ্জন বিশ্বাস চেয়েছেন টেলিফোন প্রতীক।

রাতইল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দু’বার নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী পরিবারের সন্তান আঞ্জুরুল ইসলাম আঞ্জু চেয়েছেন আনারস প্রতীক।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনা মিয়া চেয়েছেন মটর সাইকেল প্রতীক।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর দলীয় মনোনয়ন নিয়ে (হাত পাখা প্রতীক) নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দিতা করবেন মো. আল আমিন।

তবে নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে ৬নং রাতইল ইউনিয়নে গেলে, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বিএম হারুন অর রশিদ পিনু প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ততার অজুহাতে প্রতিবেদককে সরাসরি কোন তথ্য ও সাক্ষাৎকার দেননি। তিনি ক্ষুদ্রঋণ খেলাপী গ্রাহক বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে কাশিয়ানী উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, ক্ষুদ্রঋণের বিষয়টি নির্বাচনী আওতাভুক্ত নয়। তবে দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিন উপস্থিত ছিলেন না।

এদিকে রাতইল ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে দিনরাত প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীরা। ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোট চাইছেন প্রার্থীরা। এলাকার চায়ের দোকানগুলোতে নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আলাপ আলোচনা চলছে বেশ জোরে সোরে।

ভোটাররা জানান, আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। “আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেবো”।