বঙ্গবন্ধুর পরিবারের নামে কুরবানি দিলেন ছাত্রলীগ নেতা

প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২১

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মো. সায়েম তালুকদারের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নামে গরু কুরবানি দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার জন্য দোয়া ও সওয়াব অর্জনের পাশাপাশি গরীব ও অসহায় মানুষের মুখে গরুর গোস্ত তুলে দিতে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ।

‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’ শিরোনামে গরুর গোস্তের পাশাপাশি ঈদ সামগ্রীও বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়া বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির শুরু থেকেই জনসচেতনামূলক লিফলেট, মাইকিং, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও ত্রাণ বিতরণ করে আসছেন ছাত্রলীগ এই নেতা। করোনাভাইরাসের আক্রমণে দেশের অর্থনীতি যখন দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সাধারণ মানুষ যখন খাবারের অভাবে ভুগছিল তখন ছাত্রনেতা মো. সায়েম তালুকদার মানুষের দরজায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন রাতের আঁধারে।

বিশ্ব মহামারী করোনা মহামারির মধ্যে দিয়ে পালন হয়েছে রমজানের দুই বছর। আর এই দুই বছরেই অসহায়, গরীব, দুস্থ ও পথচারীদের জন্য ইফতার বিতরণ করেছেন নিজ উদ্যোগে। করোনাভাইরাসের প্রভাবে মানুষ ঈদের আনন্দই ভুলে গেছে। নিজের জন্য চিন্তা না করে অসহায় গরীব মানুষের মুখে হাসি ফোঁটাতে ‘প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’ শিরোনামে খাদ্যসহ ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছেন এই ছাত্রনেতা।

কোভিড-১৯ এর পরিস্থিতিতে কৃষক যখন মাঠ থেকে পাকা ধান ঘরে তুলতে পারছিল না টাকা ও লোকের অভাবে। তখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলীর নির্দেশে চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অসহায় কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে পাকা ধান ঘরে তুলে দিয়েছেন এই ছাত্রনেতা ও তার সহযোগীরা।

এক ছাত্রলীগ কর্মী জানান, দেশের এই দুঃসময়ে আমার পরিবার খাদ্যের অভাবগ্রস্ত অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা বড়ভাই সায়েম তালুকদার আমাদের ত্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করায় আমি চিরকৃতজ্ঞ প্রকাশ করছি।

নিঃসন্তান এক বৃদ্ধা মহিলা জানান, করোনার শুরু থেকে খাদ্যসহ বিভিন্নভাবে নিজের ছেলের মতো পাশে থেকে আমাকে সাহায্য সহযোগী করেছে সায়েম তালুকদার। সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিয়েছেন আমার। তিনি তার হাজার বছর বেঁচে থাকার জন্য দোয়া কামনা করেন৷

সরকারে নির্দেশনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অসহায় মানুষের পাশে যেভাবে আছেন সব সময় এই ভাবে থাকতে চান বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা মো. সায়েম তালুকদার। তিনি আরও জানান, মানবসেবায় এত আনন্দ এর আগে কখনো বুঝিনি। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মানুষের পাশে থাকতে চাই।